ক্ষেত্র ০১
বলবিদ্যা
বল, গতি ও শক্তি: প্রতিটি যন্ত্রের পেছনের নিয়ম
বলবিদ্যা ব্যাখ্যা করে, কোনো কিছু কেন নড়ে, গতি বাড়ায়, গতি কমায় বা স্থির থাকে। প্রায় সব যন্ত্রের ভিত্তি এটিই।
আপনি যা শিখবেন
- বল কী, আর একাধিক বল কীভাবে একসঙ্গে কাজ করে
- ঘর্ষণ কীভাবে সাহায্য করে, আর কীভাবে বাধা হয়ে দাঁড়ায়
- লিভার, কপিকল আর ঢালু তল কীভাবে কাজ সহজ করে
- শক্তি কীভাবে এক রূপ থেকে আরেক রূপে বদলায়
পরীক্ষার উদাহরণ
-
ভিন্ন ভিন্ন কোণের ঢালু তল দিয়ে একটি ছোট গাড়ি গড়িয়ে দিন এবং এর গতি তুলনা করুন।
-
লিভারের আলম্ব সরিয়ে খুঁজে বের করুন, সবচেয়ে কম কত বল দিয়ে ভারটি তোলা যায়।
-
একটি ব্লকের নিচের তল বদলে দেখুন, ঘর্ষণ কীভাবে এর গতি বদলে দেয়।
যা যা বানাতে পারেন
-
ছোট গাড়ি আর থামানোর ঠেকাসহ একটি ঢালু তল
-
ভারী বোঝা তোলার একটি লিভার
-
একটি সহজ কপিকল ব্যবস্থা
এই উদাহরণগুলো এই ক্ষেত্রের কাজের ধরন দেখায়। প্রকাশিত পাঠগুলো ভিন্ন হতে পারে।
একটি ছোট মডেল চালিয়ে দেখুন
এই ছোট মডেলগুলো সরাসরি আপনার ব্রাউজারেই চলে, আর পাতাটি একবার লোড হয়ে গেলে অফলাইনেও কাজ করতে থাকে। এগুলো শেখানোর জন্য তৈরি সরলীকৃত মডেল, MEKALUMI-র সিমুলেশন ইঞ্জিন নয়।
পরামর্শ: বাঁ দিকের গিয়ারটি টেনে হাত দিয়ে ঘোরান।
গিয়ার ট্রেন
প্রতিটি গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা বদলান। দেখুন গতি আর ঘোরানোর বল কীভাবে বদলায়।
- গিয়ার অনুপাত
- 1 : ২
- আউটপুটের গতি
- ১৫ rpm · ২ গুণ ধীর
- ঘোরানোর বল
- ২ গুণ
- দিক
- মোটরের উল্টো দিকে
ছোট গিয়ার যখন বড় গিয়ারকে ঘোরায়, তখন বড় গিয়ারটি আরও ধীরে ঘোরে, তবে বেশি বল নিয়ে। উইঞ্চ, সাইকেল আর ঘড়িতে এই ধারণা কাজে লাগানো হয়।
মডেল: ঘর্ষণ বা পিছলে যাওয়া ছাড়া আদর্শ গিয়ার। মোটরের গতি: ৩০ rpm।
সিমুলেশন যা সরল করে দেখায়
- বস্তুকে সাধারণত পুরোপুরি দৃঢ় ধরা হয়: সেগুলো টোল খায় না, ফাটে না, ক্ষয়ও হয় না।
- ঘর্ষণ আর বায়ুর বাধা সহজ সূত্র মেনে চলে; বাস্তব জগৎ আরও জটিল।
প্রতিটি সিমুলেশনই বাস্তবকে সরল করে। কীভাবে সরল করে, তা জানাও প্রকৌশল শেখার অংশ।
স্কুলের বিষয়ের সঙ্গে যোগ
পদার্থবিজ্ঞান, গণিত (কোণ ও অনুপাত), খেলাধুলা
অন্য ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্ক
বলবিদ্যা হলো গতিবিদ্যা, কাঠামো আর রোবোটিক্সের ভিত্তি।
জেনে রাখুন
কথিত আছে, আর্কিমিডিস দাবি করেছিলেন — যথেষ্ট লম্বা একটি লিভার আর দাঁড়ানোর মতো একটি জায়গা পেলে তিনি পৃথিবীকেও সরিয়ে দিতে পারতেন।