ক্ষেত্র ০৩
গতিবিদ্যা
কলকবজা কীভাবে নড়াচড়া করে: গিয়ার, সংযোগ-দণ্ড আর ক্যাম
গতিবিদ্যা গতির বর্ণনা দেয়: অবস্থান, চলার পথ আর দ্রুতি। এটি দেখায়, একটি নড়াচড়াকে কীভাবে আরেক ধরনের নড়াচড়ায় বদলে দেওয়া যায়।
আপনি যা শিখবেন
- গিয়ার কীভাবে গতি আর দিক বদলায়
- গিয়ার অনুপাত কীভাবে গতির বিনিময়ে বল এনে দেয়
- সংযোগ-দণ্ড কীভাবে ঘূর্ণনকে সামনে-পেছনে চলায় রূপ দেয়
- চলমান একটি বিন্দুর পথ কীভাবে অনুসরণ করতে হয়
পরীক্ষার উদাহরণ
-
একটি ছোট গিয়ারকে একটি বড় গিয়ারের সঙ্গে দাঁতে দাঁতে মিলিয়ে দিন এবং প্রতিটি কতবার ঘোরে, গুনে দেখুন।
-
একটি ক্র্যাংক আর স্লাইডার তৈরি করুন এবং পিস্টনের নড়াচড়া দেখুন।
-
একটি সংযোগ-দণ্ডের দৈর্ঘ্য বদলান এবং দেখুন এর চলার পথ কীভাবে বদলায়।
যা যা বানাতে পারেন
-
ধীর কিন্তু শক্তিশালী উইঞ্চের জন্য একটি গিয়ারবক্স
-
ক্র্যাংক দিয়ে চালানো একটি পিস্টন
-
গাড়ির উইন্ডস্ক্রিন ওয়াইপারের কলকবজা
এই উদাহরণগুলো এই ক্ষেত্রের কাজের ধরন দেখায়। প্রকাশিত পাঠগুলো ভিন্ন হতে পারে।
একটি ছোট মডেল চালিয়ে দেখুন
এই ছোট মডেলগুলো সরাসরি আপনার ব্রাউজারেই চলে, আর পাতাটি একবার লোড হয়ে গেলে অফলাইনেও কাজ করতে থাকে। এগুলো শেখানোর জন্য তৈরি সরলীকৃত মডেল, MEKALUMI-র সিমুলেশন ইঞ্জিন নয়।
পরামর্শ: বাঁ দিকের গিয়ারটি টেনে হাত দিয়ে ঘোরান।
গিয়ার ট্রেন
প্রতিটি গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা বদলান। দেখুন গতি আর ঘোরানোর বল কীভাবে বদলায়।
- গিয়ার অনুপাত
- 1 : ২
- আউটপুটের গতি
- ১৫ rpm · ২ গুণ ধীর
- ঘোরানোর বল
- ২ গুণ
- দিক
- মোটরের উল্টো দিকে
ছোট গিয়ার যখন বড় গিয়ারকে ঘোরায়, তখন বড় গিয়ারটি আরও ধীরে ঘোরে, তবে বেশি বল নিয়ে। উইঞ্চ, সাইকেল আর ঘড়িতে এই ধারণা কাজে লাগানো হয়।
মডেল: ঘর্ষণ বা পিছলে যাওয়া ছাড়া আদর্শ গিয়ার। মোটরের গতি: ৩০ rpm।
সিমুলেশন যা সরল করে দেখায়
- গতিবিদ্যা গতি নিয়ে কাজ করে, অনেক সময় কোন বল সেই গতি ঘটাচ্ছে, সে প্রশ্ন না তুলেই।
- ধরে নেওয়া হয়, যন্ত্রাংশগুলো একদম নিখুঁতভাবে খাপে খাপে বসে, কোনো ফাঁক বা ঢিলেঢালা ভাব ছাড়াই।
প্রতিটি সিমুলেশনই বাস্তবকে সরল করে। কীভাবে সরল করে, তা জানাও প্রকৌশল শেখার অংশ।
স্কুলের বিষয়ের সঙ্গে যোগ
গণিত (জ্যামিতি ও অনুপাত), পদার্থবিজ্ঞান, নকশা ও প্রযুক্তি
অন্য ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্ক
গতিবিদ্যা বলবিদ্যার ভিত্তির ওপর গড়ে ওঠে এবং রোবোটিক্সের জন্য অপরিহার্য।
জেনে রাখুন
সাইকেলে চড়ে চড়াই বেয়ে ওঠার সময় চেইন আর ভিন্ন ভিন্ন মাপের গিয়ার গতির বিনিময়ে বল জোগায়।